সাসটেইনবল ই-কমার্স : আপনার ব্যবসায়ের নতুন দিগন্ত উম্মেচন করবে

সাসটেইনবল ই-কমার্স : আপনার ব্যবসায়ের নতুন দিগন্ত উম্মেচন করবে

সাসটেইনবল ই-কমার্স : আপনার ব্যবসায়ের নতুন দিগন্ত উম্মেচন করবে

সাসটেইনবল ডেভলপমেন্ট গোল। সংক্ষেপে এসডিজি। জাতিসঙ্গসহ বিশ্বসংস্থা তথা সারা বিশ্ব এখন মজবুত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। যাতে করে একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়নটা আরো শক্তপোক্ত হয়। এভাবে আসলে সময় এসেছে আমরা যাই করি না কেন সেটা শক্তপোক্ত ভাবে করার। সহজ কথা হচ্ছে কিভাবে আমরা আমাদের ই-কমার্সকে সাসটেইনবল করব। মানে এমনভাবে করবে যাতে সেটা ভেঙ্গে না পড়ে বা কয়দিন পর বন্ধ হয়ে না যায়। সেরকম একটি ই-কমার্স উদ্যোগ নেয়ার শর্তসমূহ আজ আলোচনা করা যাক।

বাজার সম্পর্কে ধারণা

যিনি যে ব্যবসা করবেন তাকে যেমন সে ব্যবসা সম্পর্কে জানতে হয়। তেমনি একজন ই-কমার্স উদ্যোক্তাকে শুধুযে ই-কমার্স সম্পর্কে জানতে হয় তা নয়। বরং তাকে তিনি যে পন্য বা সেবা নিয়ে কাজ করবেন সে ব্যাপারে ধারণা নেয়া দরকার। পন্যটি কোথায় কিভাবে উৎপাদিত হয়। সেখান থেকে ভোক্তার কাছে যাওয়ার প্রক্রিয়া কি? কিভাবে সেটি বাজারজাত করতে হবে ইত্যাদি। প্রচলিত কি পদ্ধতি রয়েছে। সে পদ্ধতির সমস্যা কি? সেখানে নতুন কোনো উদ্ভাবনী আইডিয়া কাজে লাগানো যায় কিনা এসব দেখা দরকার।

একটি পরিকল্পিত বিজনেস প্লান

ই-কমার্স ভালো লাগে। ভবিষ্যতে দেশ ই-কমার্সের উপর চলবে। ই-কমার্স করার এটা কোনো কারণ হতে পারে না। বরং প্রাথমিক বিষয় যেমন পন্য, টার্গেট মার্কেট, নাম ধাম ইত্যাদি ঠিক করার পর। একটা ব্যবসায়ের পুরো প্লান থাকা দরকার। এখানে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার হতে হবে। আর থাকতে হবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা।

মানসম্পন্ন ই–কমার্স ওয়েবসাইট

শুধু যেকোনো রকমের একটা ই-কমার্ষ ওয়েবসাইট খুলেই ব্যবসা করা যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়। সবকিছু মানসম্পন্ন হলে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভোক্তাদের ধারণাও মানসম্পন্ন হবে। আপনার বাজেট কম থাকতে পারে কিন্তু ছবি কনটেন্ট এবং রেসপন্সনেস থাকতে হবে।

পন্য সেবার মান

এটা হচ্ছে যেকোনো ব্যবসার মূল কথা। আপনার সবকিছু ঠিক থাকলেও যদি পন্য ও সেবা ঠিক না থাকে তাহলে সবকিছুই ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাই আপনার উদ্যোগ যত ছোট বা বড় হোক না কেন? পন্য বা সেবার মান থাকা চাই অটুট। আপনার পনের মান কত উন্নত সেটা বড়ো কথা নয়। আপনি ক্রেতাকে যেটা বলছেন সেটা দিচ্ছেন কিনা সেটাই বড়ো কথা।

সময়মত পন্য পৌছানো

ডেলিভারী ইস্যুটি ই-কমার্সের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনার ভালো পন্যটি ভোক্তা যদি প্রয়োজনের সময় না পায়। তাহলে আপনার উপর আস্থা রাখবেনা। আর ক্রেতার অনাস্থা থাকলে আপনি ব্যবসাকে বড় করতে পারবেন না।

লেগে থাকার মানসিকতা

কোনো বিজনেস সেক্টর একদিনে দাঁড়ায়না। ই-কমার্স সেক্টর একদিনে দাঁড়াবে এমনটা আশা করার কোনো কারণ নেই। তাই লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। দেশে গার্মেন্টস ব্যবসার যতই প্রসার হোক সবাই সফল হবে না। আর বইয়ের পড়ার হার যতই কমুক সব প্রকাশকের লোকসান হবে না। সব সময় কিছু মানুষ হারবে আর সব সময় কিছু মানুষ জিতবে। আপনি কাদের কাতারে থাকবেন সেটা আপনার কাজই বলে দেবে।

রিপিট কাস্টমার

ব্যবসার মূল হলো সুনাম। আপনি প্রতিবারই এড দিয়ে কাস্টমার আনতে পারবেন না। একবার এড দিয়ে যে কাস্টমার আনবেন তারা যদি আপনার সাথে দীর্ঘদিন লেনদেন করে এটাই হবে আপনার ব্যবসার উন্নয়নের সূত্র। তাই রিপিট কাস্টমারের দিকে মনোযোগ দিন। এটা গুরুত্বপূর্ণ।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *